ওরা আমাদের বন্দি করে রেখেছে, কিছু খেতেও দেয়না

download-2-7.jpg

মৃধা বেলাল,বিশেষ প্রতিনিধি :
আইনের কড়া শাসন থাকা সত্বেও থেমে নেই আদম ব্যাবসার  মত জঘন্য অপরাধ।
বরগুনা আমতলীর চাওড়া ইউনিয়ন ও  কুকুয়া ইউনিয়নের দুই আদম ব্যাবসায়ীর কাছে সৌদি আরবে বন্দি ৫০ বাংলাদেশী। এমনি একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে বন্দি হয়ে থাকা এক সদস্যের ফেসবুক থেকে-

নিম্মে তার কথা গুলো তুলে ধরা হলো:

জসিম হাওলাদার ও খলিল গাজি দুজনই সৌদি থাকে,এখান থেকে তারা ভিসা পাঠায় আর  ঐ ভিসা গুলো বাংলাদেশে বিক্রি করে জসিমের বোন,রেহানা বেগম তার স্ত্রী রুজিনা ও ভাই শহিদ হাওলাদার এবং খলিল গাজির স্ত্রী ময়না বেগম।তারা মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে প্রত্যেকের কাছে ৫লক্ষ ৫০হাজার টাকা করে নিয়ে ভিসা বিক্রি করে।
এখানে আসার পর ৮০হাজার টাকা চায় আকামা বানানোর জন্য, কিছুদিন পর আবার বলে যে মালিকানা পরিবর্তন করা লাগবে তখন ৪৫ হাজার টাকা লাগবে।  তখনো আমরা প্রত্যেকেই তা দিয়ে দেই। আমরা আসার পর থেকে জসিম ও খলিলের কাজ করি। এখন পর্যন্ত কাউকে এক টাকাও দেয়নি। আমরা যখন কাজ বন্ধ করে দেই  তখন জসিম ও খলিল আমাদের শারিরিক নির্যাতন করে এবং পুলিশে দেয়ার ভয় দেখায়।এ ছাড়াও আরো অনেক নির্যাতন করে।
এর পরে আমরা দেশে যেতে চাইলে তারা ২লাখ টাকা চায়,না দিলে যেতে দিবেনা।আমরা এর প্রতিবাদ করলে  ১ মাস ১৫ দিন যাবৎ ভুরাইদা নামক একটি গ্রামে বন্দি করে রেখেছে। কোন খাবার দেয়না, এমন কি রোজা রাখবো তাও কিছু খেতে দেয়না।খাবার চাইলে নির্মম শারিরিক নির্যাতন করে।।
ভুরাইদা গ্রামের কিছু ভালো মানুষ আছে যারা মাঝে মধ্যে আমাদের খেতে দেয়। তাই খেয়ে কোন রকম বেচে আছি।
এখানে আমাদের ৫০জনকে বন্দি করে রেখেছে, কোথাও যেতে চাইলে নির্যাতন করে। যেতে দেয়না এবং পুলিশের ভয় দেখায়।
আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে আকুল আবেদন করছি,আমাদের যেন হেফাজতে অতি শিগ্রই দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হয় এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে কঠিন শাস্তির ব্যাবস্থা করা হয়।

Top