দোয়ারাবাজারে সৌদি প্রবাসীর কাছে চাঁদা দাবীর অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের

IMG_20180517_125639.jpg

এম এ মোতালিব ভুঁইয়া :
দোয়ারাবাজার উপজেলায় সৌদি প্রবাসীর কাছে চাঁদাদাবীর অভিযোগে নবিরুল ইসলাম গং এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছে কলাউরা গ্রামের সৌদি প্রবাসী অসহায় আব্দুর রহমান।
মামলার বিবরণে জানা যায়,অভিযোগকারী সৌদি প্রবাসী আব্দুর রহমান কিছু দিন পূর্বে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন। দীর্ঘ দিন সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে তাহার নিজ মালিকানাধীন ভূমিতে ঘর নির্মাণ করার জন্য রড, সিমেন্ট, ইট ইত্যাদি মজুদ করিতে থাকিলে তাহার স্বগ্রাম নিবাসী কলাউরা গ্রামের মৃত ইমান আলীর পুত্র নবিরুল ইসলাম, হাসিম কাজীর পুত্র আঃ মতিন,নবিরুল ইসলামের পুত্র বশির মিয়া, মৃত মুখলেস আলীর পুত্র আনোয়ার, মৃত হুমায়ুন কবিরের পুত্র নুরনবী নেওয়াজ, এসহাক হাজীর পুত্র জসিম উদ্দিন, হাফিজ মিয়ার পুত্র ইমান আলী, আবুল হোসেনের পুত্র রুবেল মিয়া, মৃত তৈয়ব আলীর পুত্র ফারুক মিয়া,মৃত আব্দুল মতিনের পুত্র নুরু মিয়া, মৃত মনা মিয়ার পুত্র রবিউল ইসলাম,জাহের আলীর পুত্র আজগর আলী তাহার নিকট ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে নানান সময়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে বলে উল্লেখ করা হয়।
ইতিমধ্যে বিগত গত ১২ মে উল্লেখিত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির নবিরুল গং তাহার নির্মাণাধীন বাড়ীতে এসে পুনরায় ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করলে আব্দুর রহমান চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন। এ সময় অতর্কিত ভাবে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ তুলেন। উল্লেখিত চাহিত চাঁদা না দেয়ায় সৌদি প্রবাসীকে অশ্লীল ভাষায় গালি গালাজ করে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করে প্রায় ২ লাখ টাকার মালামাল সহ বাড়িতে লাগানো প্রায় এক লাখ টাকার বিভিন্ন জাতের চারা গাছ ভাংচুর ও লুট করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে সৌদি প্রবাসী আব্দুর রহমান জানান, চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা আমি বিদেশ থেকে আসার পর পরই টাকা দাবী করে এবং টাকা না দেয়ায় তারা বিভিন্ন অজুহাতে ক্ষতিগ্রস্থ করার পায়তারায় লিপ্ত হয়। তাদের ভয়ে আমি স্ত্রী সন্তানসহ বাড়ীতে থাকতে পারছি না। জীবন বাচাঁনোর জন্য পালিয়ে বেড়াচ্ছি। এ নিয়ে স্থানীয় একাধিক পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর পরই সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা হুমকি দিয়ে আসছে, সুযোগমত পাইলে আমাকে হত্যা করে লাশ গুম করবে অন্যথায় গ্রাম ছাড়া করবে। নিরুপায় হয়ে সৌদি প্রবাসী আব্দুর রহমান জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত দোয়ারা বাজার সুনামগঞ্জে সি,আর-১১৭/১৮ নম্বর মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান,মামলা করার পরও নবিরুল গংদের বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি অব্যাহত আছে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি এবং এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।
এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার থানার ওসি সুশীল রঞ্জন দাস জানান, এ ধরনের অভিযোগ এখনও থানায় আসেনি। থানায় আসলে ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Top