বৃষ্টিপাত পরবর্তী কৃষক’দের খোঁজ নিতে হাওরে গেলেন –ইউএনও

FB_IMG_1525537352416.jpg

জামালগঞ্জ প্রতিনিধি::

জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি অফিসার শামীম আল ইমরান।কৃষক বান্ধব জন প্রসাশনের একজন কর্মকর্তা।উপজেলা নির্বাহি অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকেই একের পর এক জন কল্যাণকর সিদ্বান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপজেলার তৃণমূল মানুষের মন জয় করে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছেন।

ইতিমধ্যে তিনি গত বছর ফসল হানির পর থেকে সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন,হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মানে জেলার ১১ উপজেলা মধ্যে কাজের অগ্রগতিতে জামালগঞ্জ প্রথম হওয়া,সাচনা বাজার মেইন রোড থেকে অবৈধ দখলদার ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করা সহ বিভিন্ন সেবা/উন্নয়ন মূলক কার্য্যেক্রম বাস্তবায়ন করেছেন।এবছর তিনি সহ সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি বর্গ কৃষকদের ফসল ঘরে তুলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করেছেন।

বাঁধের কাজ বাস্তবায়ন হলেও প্রাকৃতিক বৈরী অাবহাওয়া কৃষকদের থমকে দেয়।ফসল উত্তোলন সময়ে গেল দুই সপ্তাহ টানা বৃষ্টিপাতের কারনে কৃষকরা কোনটাসা হয়ে পড়েন।তাদের অনেকের ধানে চারা গজাচ্ছে।কৃষকগণ ধান খড় নিয়ে মহা সমস্যায় পড়েছিলেন।

আবহাওয়ার বিরুপ বার্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সতর্কীকরণ বার্তায় খোদ উপজেলা নির্বাহি অফিসার সহ হাওর সংশ্লিষ্ট সবাই শংকিত ছিলেন।বৃষ্টি ও বজ্রপাতে মানুষ উদ্বেগ উৎকন্ঠায় ছিল।এছাড়া গত ক’দিন সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তখন বাঁধের ঝুকিপূর্ণতা বেড়ে যাবার অাশংকাও করা হয়।

এত কিছুর পর আজ(শনিবার)হাওরাঞ্চলের অাকাশে রোদের ঝিলিক মিলে।ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক কৃষাণিরা।টানা দুই সপ্তাহ পর রোদ দেখা দেওয়ায় কৃষকের মনের সব ক্রান্তি দূর হয়ে যায়।সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন কাজেকর্মে।

হাওরের বাঁধ সহ কৃষকের সার্বিক বিষয় নিয়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন শামীম আল ইমরান।গতকাল শনিবার(১২-মে)সরজমিনে হালির হাওর,শনি,মহালিয়া হাওর ঘুরে দেখেন।এসময় কৃষকদের ধানের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেন।তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে অবশিষ্ট ২০ ভাগ ধান কেটে ফেলার জন্য বলেন।

এসময় সাথে ছিলেন-সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদ,আ’লীগ সভাপতি মোহাম্মদ অালী,সাধারন সম্পাদক এম নবী হোসেন,পাউবো উপ সহকারি প্রকৌশলী নিহার রঞ্জন দাস,ইউপি সচিব অজিত রায়,গণমাধ্যম কর্মী ওয়ালী উল্লাহ সরকার প্রমূখ।

Top