কৃষক মনের আনন্দে ঘরে তুলবে ধান; কিন্তু বিধিবাম———-!

received_1429494013822641.jpeg

গোলাম শহীদ, তাহিরপুর প্রতিনিধি :
তাহিরপুরের কৃষকদের মনে যেন আনন্দের ভাটা পড়েছে।ধান কেটে রোদে শুকিয়ে কৃষক মনের আনন্দে ঘরে তুলবে কিন্তু বিধিবাম। পরপর দুবছর আগাম বন্যায় হাওর তলিয়ে গেলেও এবার স্বস্তি ফিরে পেলেও বৈরী আবহাওয়া রোদবৃষ্টির খেলায় জমি থেকে ধান কেটে এনে শুকাতে পারছেনা কৃষক। হাওরেই পড়ে আছে ধান,নষ্ট হয়ে পচন ধরছে, যেখান থেকে নতুনের সুঘ্রান বের হওয়ার কথা সেখান থেকে বের হচ্ছে পঁচা দুর্গন্ধ।তারপরেও নিরন্তন চেষ্টা ধান শুকিয়ে মনের আনন্দে ঘরে তুলবে কৃষক। বছর জুড়ে আর ভাতের কষ্ট করতে হবে না। অন্তত দূবেলা দূমুটো ভাত খেতে পারবে। অতিবৃষ্টি আর হাওরের নয়া আতংক বজ্রপাত দূয়ের সংগে যুদ্ধ করেও অবিরাম চেষ্টা কৃষক কৃষানীর। আকাশের দিকে চেয়ে চেয়ে দিন পাড় করছে কৃষক কখন দেখা মিলবে কাংখিত একটু রোদের ঝলক। মেঘ ডাকা আকাশে একটু আলো দেখলেই বের হচ্ছে কৃষকের পুরো পরিবার।চোখেমুখে আনন্দের ছাপ। পাহাড়ি ঢল আর আগাম বন্যা ছুতে না পারলেও সামান্য শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছিল যাহা প্রশাসনিকভাবে অন্যান্য পেশার শ্রমিকদের উদ্ভুদ্ধ করে শ্রমিক সংকট নিরসন করা হয়। কিন্তু লাগাতার বৃষ্টির কারনে এসব ম্লান হয়ে গেছে। বারবার হোছট খাওয়া কৃষক রোদ না থাকায় বৃষ্টির কারনে ধান শুকাতে না পেরে আকাশের দিকে চেয়ে চেয়ে দিন পার করছেন।স্থানীয় কৃষক মুরাদ জানান,এইবার ধান কাটতে পারলেও ধান শুকানো যাইতেছেনা, আর এই কারনে হলায়(ধান শুকানোর স্থান) ধান থাকতে থাকতে ধানে চারা গজাইছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, এবার কৃষক ধান কেটে ঘরে তোলার পুর্বেই বৃষ্টি তাই ধান শুকাতে একটু কষ্ট হচ্ছে। আকাশের অবস্থা ভাল হলে ধান শুকিয়ে ঘরে তোলতে পারবে কৃষক।

Top