নারী,শিশু হত্যা ও ধর্ষণের অনেকের বিচার নিরুদ্দেশ

received_414122942348315.jpeg

রিয়াজ মোহাম্মদ শাকিল:

একটা মেয়েকে জোর করে তার উপর নরপশুদের পুরুষত্ব চাপিয়ে দিয়ে ধর্ষণ করলো, আবার ধর্ষণের পর তাকে আর পৃথীবির আলো দেখতে দিলো না তাকে হত্যা করা হলো। অবশ্য ভালই করেছে যদি সে বেঁচে থাকতো তার নাম হতো ধর্ষিতা আর ধর্ষকরা গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়াতো।
হ্যা,আমি তাসফিয়া, বিউটিদের কথা বলছি যাদেরকে ধর্ষন অতঃপর হত্যা করা হয়েছে অথচ নরপশুদের কামনার শিকার ক্ষত বিক্ষত দেহ গুলো এখনো বিচার পাই নি। এই সমাজ ধর্ষিতাকে দেখলেও এখনো ধর্ষককে দেখার সুযোগ হয়নি।
তাসফিয়াকে ধর্ষণের শেষে হত্যা করে নিথর মৃত দেহটি ফেলে দেওয়া হয় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের উপকূলে। এমনটায় দাবি করেন তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের মর্গের সামনে প্রতিবাদ ও কান্না জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের এমনটায় বলেন তাসফিয়ার বাবা।

গত বুধবার ০২ মে সকালে চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গার ১৮ নম্বর ব্রিজঘাটে কর্ণফুলী নদীর তীরে তাসফিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এভাবেই তাসফিয়ার মত কত শিশু,কিশোরীর ও নারীর ধর্ষিত লাশ দেখেছি তার হিসেব কষলে হয়তো মিলবে না।

কিছুদিন আগের ঘটনা, হবিগঞ্জের স্কুল ছাত্রী বিউটি আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা হয়তো বাংলাদেশের নিত্যদিনের ঘটনা নয় কিন্তু দিন দিন এই ধরনের ধর্ষনযজ্ঞের সংখ্যা বাড়েই চলেছে। প্রতিবাদ হলেও প্রতিকার হয়নি এই সবের।ধর্ষকরা তাদের কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে আইনের আওতার বাইরে থেকে।ঘটনার পর ধর্ষিতার নাম টিভি,পত্রিকা হেড লাইন ধর্ষকরা তা দেখে নতুন আরো নাম টিভির হেডলাইন কারার চিন্তা শুরু করে।ঘটনার কয়েকদিন খুব লিখালিখি হলেও সময়ের স্রুতে ভেসে যায় ধর্ষিতার কাহিনী, থানায় বা কোর্টে ফাইল হয়ে ধূলি জমে ধর্ষিতার নামে।

এই ভাবেই হারিয়ে যায় ধর্ষিতার নাম সূচনা হয় নতুন ধর্ষিতার কাহিনী।

যথাযথ উপযুক্ত শাস্তি চায় সমাজ।যেন কোন মা বাবাকে তার ধর্ষিতা মেয়ের জন্য চোখের পানি ফেলতে না হয়।
কোন ভাইকে যেন তার ধর্ষিতা বোনের লাশ বহন করতে না হয়।আইন চাই।আইনের সঠিক প্রয়োগ চাই এই দেশের জন সাধারণ।

Top