ধানিখোলা ৭নং হাপানিয়া গয়সাপাড়া স্কুলের বেহাল দশা,বৃষ্টির পানিতে ছাত্র-ছাত্রীর ভোগান্তি

unnamed-1-1.jpg

ত্রিশাল থেকে মোঃ রুবেল আকন্দ:-
ময়মনসিংহ ত্রিশাল উপজেলা ধানীখোলা ৭নং হাপানিয়া গয়সাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃষ্টির পানির নিস্কাশনের সমস্যা শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীর ভোগান্তি চরমে উঠেছে। গত ৬ মে রোববার রাত থেকে আকাশের ভারী বৃষ্টি হলে উপজেলার ১নংধানিখোলা ইউনিয়ন ৭নং হাপানিয়া গয়সাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারনে পানি হাটু অতিক্রম করে স্কুলের ক্লাসরুমে জমে থাকা অবস্থায় কোমলমতি শিশু ছাত্র/ছাত্রী ও শিক্ষক-কর্মচারীরা কাদার মাঠ অতিক্রম করে কাদা-মাটি নিয়ে স্কুলের ক্লাসে যায় এবং ভাবেই চলে পাঠদান। বছরের পর বছর ধরে আবেদন নিবেদন করেও সুফল হচ্ছে না। আকাশের সামান্য বৃষ্টি হলেই একই ক্যাম্পাসের হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী, বৃষ্টি-বাদলে পুকুরের মত জমে থাকা অবস্থায় পাঠদান করতে গিয়ে অনেক ছাত্রছত্রী অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে আবার অসুস্থ্য হওয়ার ভয়ে অভিভাবকেরা স্কুলে পাঠাছে না। ৩ বছর ধরে এঅবস্থা চলতে থাকলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। বাড়ছে শিক্ষক-শিকক্ষার্থীদর দুর্ভোগ। শিক্ষাথীদের সংখ্যাও কমছে ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। ১নংধানিখোলা ইউনিয়ন পরিষদ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসছে না।
তৃতীয় শেণীর কোমলমতি শিশু ছাত্রী মোছাঃ মনিরা আক্তার, ৪র্থ শেণীর ছাত্র মোঃ সাইফ মিয়া, ৪র্থ শেণীর ছাত্রী মোছঃ জোছনা আক্তার, ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী মোছঃ আইরিন আক্তার ও ৫ম শ্রেণি ছাত্র মোঃ খোরশেদ আলম জানায়। বৃষ্টির কারনে স্কুলে আসতে পারি না, স্কুল ড্রেস ড্রেস-বইপত্র ভিজে যায়। পচা ও দুগন্ধযুক্ত কাদা-পানিতে ভিজে হাত-পা চুলকায় পরে ঘা হয়। বৃষ্টির পানিতে ভেসে আসা ময়লা দুগন্ধ আর পোকা-মাকরের ভয়ে স্কুলে পড়া-শুনায় মন বসে না। তদুপরি মাঠে হাটু পানি জমে থাকার কারনে খেলাধুলা কোন কিছু হয় না। ৭নং হাপানিয়া গয়সাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল আউয়াল বলেন, বর্ষা-বাদল ছাড়াও সামান্য বৃষ্টিতে স্কুল ক্যাম্পাস পানিতে তলিয়ে যায়। পানি নিস্কাশনে কোন ব্যবস্থ না থাকায় বৃষ্টির পানি ক্লাসরুমে ঢুকে পড়ে। এত পাঠদান কর্মসুচী মারত্বক ভাবে বিঘিœত হয়। বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মাটি ভরাট করে পানি নিস্কাশনে ড্রেন নিমান করা হলে বৃষ্টি সমস্যা সমাধান হতে পারে। সমস্যাটি সমাধানের জন্য জেলা কমিশনার জি.এম. সালেহ মাধ্যমে আবেদন দেওয়া হয়েছে। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আউয়াল বলেন, আকাশের বৃষ্টির সময় স্কুল ক্যাম্পাস সহ ক্লাসরুম পানিতে তলিয়ে যায়। বৃষ্টির সময় ক্লাস নিলে কোমলমতি শিশু ছাত্রছাত্রীর বই-খাতা পানিতে নষ্ট হয়। এ ছাড়াও ছাত্রছাত্রীদের সর্দ্দি জ্বর, হাচি-কাশিসহ নানা রোগ দেখা দেয়। ক্যাম্পাসের পানি শুকিয়ে গেয়ে বিদঘুটে দুগন্ধে বমি পর্যন্ত হয়। এ অবস্থায় স্কুল বন্ধও রাখা যায় না, আবার দুগন্ধের কারনে শিক্ষাথীদের সংখ্যাও কমে যায়।

Top