নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট

71232272.jpg

এ.এস.এম.নাসিম,নোয়াখালী সংবাদদাতা:
বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষন ইস্টিটিউটে শিক্ষক স্বল্পতা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও দাপ্তরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী স্বল্পতায় বিভিন্ন কাজে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের নানাবিধ সমস্যায় শিক্ষাক্রম আশানুরূপ পর্যায়ে উত্তীর্ন হতে পারছে না।
সত্তর দশকের শেষ দিকে প্রতিষ্ঠিত বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষন ইস্টিটিউট ৫১ একর ভূমির ওপর প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে ৪ বছর মেয়াদী ৮ সেমিষ্টারে ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার কোর্সে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি ও শ্রেণী কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষন ইস্টিটিউট অফিস সূত্রে জানা যায়,প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ৫৬৭ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। শিক্ষক সংকট সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও দাপ্তরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী সংকট প্রকট। প্রধান সহকারী, ক্যাশিয়ার, অফিস সহকারী সহ ১৬ জন অফিস ষ্টাফ পদ শূণ্য রয়েছে। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীসহ ২৮ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর স্থলে রয়েছে ১২ জন। এতে দাপ্তরিক কাজ কর্মে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানে কারিগরি দিক দিয়ে উন্নয়ন, কৃষক ও প্রশিক্ষনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। বিভিন্ন কাটিং, কলম লাগানোর ব্যবস্থ্যা ও নেই বলে জানা যায়।
এদিকে প্রতিষ্ঠানের সীমানা দেওয়াল না থাকায় বহিরাগতরা বিনা বাধায় ভিতরে প্রবেশ করে নানাবিধ অপকর্ম করে যায়।নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মী পর্যাপ্ত না থাকায় বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জানান, ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার কোর্স সম্পন্নকারীরা উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনের গর্যাপ্ত সুযোগ পায় না।উক্ত প্রতিষ্ঠানে যে ভূমি রয়েছে তাতে প্রতিষ্ঠানটিকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করা যায়। যাতে করে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার কোর্সে উত্তীর্ন ছাত্রছাত্রীরা অনায়াসে ভর্তি হয়ে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করতে পারে।
এ ব্যাপারে বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষন ইস্টিটিউটের অধ্যক্ষ নূরুল হক এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,দাপ্তরিক কাজকে গতিশীল করার লক্ষে শূণ্য পদে জরুরী ভিত্তিতে নিয়োগ সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।অচিরেই সৃষ্ট সমস্যার সমাধান হবে বলে ও জানান তিনি।

Top