“তাসফিয়া হত্যা মামলায় আদনান সহ ৬ আসামী।

received_1978784009118559.jpeg

সাখাওয়াত শাহীন:

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে উদ্ধার করা মৃত তরুণী তাসফিয়া হত্যা মামলায় তার কথিত প্রেমিক আদনান মির্জা(১৬) পিতা-ইস্কান্দার মির্জা, মাতা-তানজিমা ফাতেমা, সাং-পদুয়া হাজী রশিদ আহাম্মেদের বাড়ি,থানা- লোহাগাড়া , জেলা-চট্টগ্রাম। বর্তমানে পশ্চিম খুলশী, জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি, রয়েল পার্ক বিল্ডিংএর ৩য় তলা, থানা খুলশীকে প্রধান আসামী ও সোহাইল(১৬), শওকত মিরাজ(১৬), আসিফ মিজান (২৩), ইমতিয়াজ সুলতান ইকরাম (২৪), পিতা-মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া, সাং- হাসিনা মঞ্জিল, ২১৫/৩১৫ ফরেস্ট গেইট, মুরাদপুর, থানা-পাঁচলাইশ , ফিরোজ(৩০), পিতা- মো. আবদুল্লাহ, সাং- মোহাম্মদপুর, হামজারবাগ, থানা-পাঁচলাইশ মোট ছয়জনকে প্রধান আসামী করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে এদের মধ্যে আদনান, ফিরোজ ও ইমতিয়াজ সুলতান ইকরামের ঠিকানা দেয়া হযেছে।
মামলার আসামীরা সবাই আদনানের বন্ধু ও স্থানীয় বড় ভাই।
মামলার এজাহরে তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন উল্লেখ করেন–আমার মেয়ে তাসফিয়া আমিন(১৬) সানশাইন গ্রামার স্কুল, পাঁচলাইশ চট্টগ্রাম এ ৯বম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত ছিল। গত ১/৫/২০১৮ইং বিকাল অনুমান ১৭.৩০ঘটিকার সময় আমার মেয়ে তাসফিয়া আমিন বাসার কাউকে কিছু না বলিয়া বর্তমান ঠিকানার বাসা হইতে বাহির হইয়া যায়।আমার মেয়েকে বাসায় না পাইয়া খোঁজাখুঁজি করার এক পর্যায়ে আমার মেয়ের সহপাঠিদের মাধ্যমে জানিতে পারি আমার মেয়ে তাসফিয়া আমিন ১নং আসামী আদনান মির্জার সাখে মোবাইলে মেসেজ আদান প্রদানের মাধ্যমে বাসা হইতে বাহির হয়। পরবর্তীতে ০২/০৫/২০১৮ইং তারিখ সকাল অনুমান ৯ঘটিকার সময় অনলাইন পত্রিকার মাধ্যমে একটি অজ্ঞাতনামা মেয়ের লাশ পতেঙ্গা থানাধীন নেভাল বিচ এলাকায় পাওয়া গিয়াছে মর্মে সংবাদ পাইয়া আমি ও আমার ছোট ভাই নুরুল আমিনসহ ইং০২/০৫/২০১৮ তারিখ সকাল ৯.৩০ঘটিকার সময় পতেঙ্গা মডেল থানাধীন নেভাল একাডেমী রোড ১৮নং ঘাট সংলগ্ন আজগরের দোকানের বিপরীত পার্শ্বে কর্ণফুলী নদীর তীরে আসিয়া পুলিশ ও লোকজনের উপস্থিতিতে আমার মেয়ে তাসফিয়া আমিনকে মৃত অবস্থায় দেখিয়া সনাক্ত করি। আমার মেয়ে তাসফিয়া আমিনের ডান চোখের উপরে বাম চোখে, নাকে, ঠোঁটে থেতলানো জখম ও মুখ মন্ডল থেতলানো দেখা যায়। দুই হাঁটু ও হাঁটুর নিচে ছেচড়ানো জখম দেখা যায়।
এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, তাসফিয়ার সাথে আদনানের ২/৩মাস আগে বন্ধুত্ব হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। তাই আক্রোশের বশবর্তী হয়ে আদনান তার সঙ্গীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাসফিয়াকে হত্যা করে।
এদিকে পতেঙ্গা থানায় মামলা হলেও এখনো পর্যন্ত হত্যাকান্ডের কোন ক্লু জানতে পারেনি পুলিশ। এর আগে পুলিশ বুধবার আদনান মির্জাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
এদিকে একটি সূত্র জানায় তাসফিয়া হত্যা মামলার আসামীরা সকলে রিচ কিডস গ্রুপ নামে একটি গ্রুপের সদস্য।

Top