বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন-এর শোক

Amirul-Kabir-bg20180501220731.jpg

মানবাধিকার প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
বাংলাদেশে সুপ্রীম কোর্ট আপীল বিভাগের সাবেক বিচারপতি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান বিশিষ্ট আইনজ্ঞ ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব আমিরুল কবির চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন- বিএইচআরএফ চেয়ারপার্সন ও প্রধান নির্বাহী এডভোকেট এলিনা খান, সেক্রেটারি জেনারেল রাজীব সামদানী, পরিচালক (অর্গানাইজিং) এডভোকেট জিয়া হাবীব আহ্‌সান, পরিচালক (পাবলিসিটি) ও নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি এডভোকেট মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন ও ট্র্যাস্টি বোর্ড মেম্বার অংশু আসিফ পিয়াল প্রমুখ । বিবৃতিদাতারা বলেন, মরহুম বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী ছিলেন একজন সৎ, চরিত্রবান, নির্ভীক বিচারপতি ও আইনজ্ঞ । সমাজকর্মী, আইনজীবী ও বিচারক হিসেবে একজন সফল মানুষ । আজকের সমাজে বিরাজমান সততার মরুভূমিতে তিনি ছিলেন অনুসরনীয় ব্যতিক্রম । সারাজীবন সততার সাথে আইনের জগতে ও সমাজ জীবনে যুগপৎ দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি অনেকটা নীরবে । জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি এদেশে মানবাধিকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন । তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন নিঃস্বার্থ দেশ প্রেমিক অভিভাবককে হারালো । ১লা মে পবিত্র শবে বরাতের রাতে মাগরিবের নামাজের সময় তিনি ধানমন্ডি, ঢাকাস্থ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৮ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন (ইন্নাল্লিলাহে ওয়া ইন্নাইল্লাহে রাজিওন) । তদানিন্তন বৃহত্তর চট্টগ্রাম কক্সবাজারের রামুতে ১৯৪০ সালে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণকারী জনাব আমিরুল কবির চৌধুরী ১৯৬৩ সালের দিকে ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম জেলা বারে আইন পেশায় যোগদান করেন । বিনয় ও সততার কারণে তিনি সকলের আস্থা অর্জন করেন খুব অল্প সময়ে । ১৯৮২ সালের দিকে চট্টগ্রাম জেলার পি.পি. নিযুক্ত হন । হাইকোর্ট চট্টগ্রাম ব্যাঞ্চের এ.এ.জি এবং পরবর্তীতে ঢাকা হাইকোর্ট-এর ডেপুটি এটর্নী জেনারেল থেকে হাইকোর্ট- এর মাননীয় বিচারপতি এবং পরবর্তীতে মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট আপীল বিভাগের বিচারপতি পদে অধিষ্ঠিত হন । তিনি শ্রম আদালত ট্র্যাইবুন্যালের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন । তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজ কল্যাণ ফেডারেশনের ফাউন্ডার সভাপতি ছিলেন । মৃত্যুকালে তিনি এক স্ত্রী, এক পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে যান । বিবৃতিদাতারা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন ।

Top