আজ ভয়াল সেই ২৯ এপ্রিল !!! যে স্মৃতি উপকুলবাসীকে আজও কাঁদায়

1493438266-1.jpg

নিউজ ডেস্ক :
আজ ভয়াল সেই ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের এই দিনে প্রলয়ংকারী ঘুর্ণিঝড়ের আঘাতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকুলীয় অঞ্চল লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। এই দিনটির কথা আজো ভুলেনি চট্টগ্রামের উপকুলীয় উপজেলা বাঁশখালী,আনোয়ারা,সীতাকুন্ড, সন্ধীপ, হাতিয়া, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া,পটিয়া ও চন্দনাইশ এলাকার মানুষ এবং  কক্সবাজার জেলার দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী, কুতুবদিয়া, পেকুয়া,উখিয়া,টেকনাফ এলাকার লক্ষ লক্ষ মানুষ ৤

সেইদিনের ঘুর্ণিঝড়ে ভয়াবহতায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে সমুদ্র উপকুলীয় এলাকা মহেশখালী,কুতুবদিয়া, আনোয়ারা ও বাঁশখালীকে। জানা যায়, ঘুর্ণিঝড়ের ভয়াল তাণ্ডবে এসব উপজেলার লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। ২০০-২৫০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসের কারণে উপকুলীয় এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল ২০-২৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ৭৫-৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি, অসংখ্যা গবাদি পশু ও গাছ-পালা ধ্বংস হয়। গাছের ডালে, ঘরের চালে, খাল-বিলে, নদীতে ও সাগরে ছিল শুধু লাশ আর লাশ।
প্রতিবছর ২৯ এপ্রিল এলে উপকুলের উপজেলা সমুহের লক্ষ লক্ষ মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। কখন আবার ঘুর্ণিঝড়ে তাদের লণ্ডভণ্ড করে দেয়।  সেদিনের ভয়াবহতা মনে পড়লে আজও আতঁকে ওঠে অনেকেই ৤ সেদিন হারিয়েছে অনেকে তাদের একান্ত প্রিয়জন মা-বাবা,ভাই-বোন, স্ত্রী-পুত্র ,অনেক নিকটাত্বীয়কে ৤ শোকে অনেকেই  আবেগ আপ্লুত হন ২৯  এপ্রিল আসলে  ৤ এই দিনে এখনও উপকুলের শোকাহত পরিবার গুলোতে চলে স্বজন হারানো মাতম ৤ ঘরে ঘরে চলে মিলাদ,দোয়া মাহফিল ৤ শোকে আজও কাঁদে উপকুল ৤

এদিকে, ভয়াল সেই ২৯ এপ্রিল স্মরণে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্নস্থানে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
বাংলাদেশের উপকুলের মুখপত্র সংগঠন উপকুলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশন দিন ব্যপী কর্মসুচী গ্রহন করেছেন বলে সংগঠনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট পরিবেশ বিজ্ঞানী ড.কামাল হোছাইন জানিয়েছেন ৤

উপকুলের এই শোকাহত দিনে উপকুলবাসীর সাথে নিউজ ভিশন পরিবার শোকাহত ৤ হৃদয়ের নাড়ি ছেঁড়া ,ধন হারা শোকাহত উপকুলবাসীদের প্রতি জানাই গভীর সমবেদনা ৤ আত্নার মাগফেরাত কামনা করি  সেই দিনের লক্ষ লক্ষ শহীদদের  প্রতি৤ দোয়া করি স্বজন হারা উপকুলবাসীকে আল্লাহ যেন ধৈর্য্য ধরার তেীফিক দান করেন ৤

Top