নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে বাংলা বর্ষকে বিদায় জানালো সম্মিলিত নাট্য পরিষদ

received_2066891370220981.png

তাইবুর রহমান,সিলেট প্রতিনিধি :

সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেট বিগত বছরগুলির মতো এবারও সিলেট শহরের ঐতিহ্যবাহী চাঁদনী ঘাটে আয়োজন করেছিলো ১৪২৪ বাংলা বছর বিদায় ও ১৪২৫ নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে অনুষ্ঠানমালা।

বিকাল ৫টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে একে একে পরিবেশনা নিয়ে একাডেমী অব মুনিপুরী কালচারার ইনস্টিটিউট (এমকা), গ্রীণ ডিজেবল ফাউন্ডেশন, পান্থ পারিজাত, দর্পণ থিয়েটার, কথাকলি, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী ও নগরনাট। নাট্য পরিষদের সভাপতি মিশফাক আহমদ চৌধুরী’র উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। পরে সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্তের পরিচালনায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক জনাব নুমেরী জামান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সাবেক মেয়র বদরউদ্দীন আহমদ কামরান, নর্থইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতফুল হাই শিবলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক দেবজিৎ সিনহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর ইউনিটের সাবেক কমান্ডার ভবতোষ রায় বর্মণ, নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি অনিল কিষান সিনহা, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আল-আজাদ, সিলেট প্রেস ক্লাব এর সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য মোকাদ্দেস বাবুল, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেট এর সহ-সভাপতি শামসুল আলম সেলিম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এন্ড জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি আশরাফুল কবির, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন সিলেট এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কীম, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেট এর প্রধান পরিচালক অরিন্দম দত্ত চন্দন, প্রাক্তন প্রধান পরিচালক ব্যরিস্টার আরশ আলী, প্রাক্তন সভাপতি সুপ্রিয় চক্রবর্তী, প্রাক্তন পরিচালক নিরঞ্জন দে, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক শামছুল বাছিত শেরো, নাট্য সংগঠক বাবুল আহমেদ, এনামুল মুনীর, আমিরুল ইসলাম বাবু, খোয়াজ রহিম সবুজ, নাট্য পরিষদ এর সহ-সভাপতি আফজাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুপ্রিয় দেব শান্ত, কোষাধক্ষ্য ইন্দ্রনী সেন শম্পা, প্রচার সম্পাদক, ইসমাইল হোসেন তাপাদার, কার্যনির্বাহী সদস্য শান্তনু সেন তাপ্পু ও তন্ময় নাথ তনুসহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ১৪২৪ বাংলা ছিলো অনেক ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যেও দেশের জন্য সাফল্য ও গৌরবের। বিগত বছরের সকল অর্জনকে ধরে রেখে আগামি দিনগুলোতে একটি অসাম্প্রদায়িক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চা আরো বলিষ্ট ভ‚মিকা রাখবে। বক্তারা সমাজে হত্যা, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও মাদকাশক্তির ব্যাধি থেকে যুব সমাজকে রক্ষার জন্য আগামি দিনগুলোতে তৃণমূল পর্যায়ে সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বারোপ করেন। তারা নতুন বছরে মহান মুক্তিযুদ্ধেও চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Top