সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ জগন্নাথপুরের হারুনূর রশীদ চৌধুরী

30657320_1937509539613117_928378084636229632_n.jpg

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::

কোনো থানায় যখন অপরাধ দিনদিন বাড়তেই থাকে আইনশৃঙ্খলার ব্যাপক অবনতি শুরু হয়।খুন,ধর্ষণ, ছিনতাই রাহাজানি,চাঁদাবাজি,মাদক,প্রকাশ্য দিবালোকে শুরু হয়।কোন মতেই প্রশাসন যখন তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ঠিক তখনই ওই থানায় দুর্দান্ত সাহসী ও সৎ পুলিশ অফিসার পাঠানো হয়।আর ওই পুলিশ অফিসার তার সৎ সাহসকে পুঁজি করে জনগণের শান্তির জন্য দিনরাত এক করে সকল অন্যায়কে বিতাড়িত করে সন্ত্রাস দমনে সফল হয়।এমন এক জন পুলিশ অফিসার ইনচার্জ তিনি হলেন সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনূর রশীদ চৌধুরী।
চাঞ্চল্যকর গনধর্ষন মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, আসামী গ্রেফতার সহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং থানা এলাকার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসাবে জগন্নাথপুর থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ হারুনূর রশীদ চৌধুরীকে গতকাল বুধবার সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ সভা ও কল্যান সভায় পুলিশ সুপার বরকতুল্লাহ খান সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,একাধিক সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার,অস্ত্র উদ্ধার, চিহিৃত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার,মাদক দমনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছেন। বিশেষ করে জগন্নাথপুর উপজেলার বসন্ত মেলা, ফাল্গুণী মেলা সহ বিভিন্ন স্থানে মেলার নামে অসামাজিক কাজ তিনি কঠোর হাতে দমন করেন। তিনি পেশাদারিত্বের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।পুলিশ জনগনের বন্ধু,মানুষের ক্ষতি না হয়,তিনি এমনটাই বাস্তবায়ন করেন। স্থানীয়রা আরো জানান,জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হারুনূর রশীদ চৌধুরী ভাইকে খুব কাছ থেকে দেখেছি যেমন পরিশ্রমী তেমনী তার ধৈর্য্যশক্তি।

প্রতিনিধির সাথে সাক্ষাতকারে তিনি একটি কথাই বলেন, মানুষের প্রতি মায়া নিয়ে নিঃস্বার্থভাবে দায়িত্ব পালন করলে যে কোনো পুলিশ অফিসারই প্রশংসা পাবেন। তবে শুধু প্রশংসা পাওয়ার জন্য কিছু করা উচিত নয়। প্রশংসা কিংবা তিরস্কার এ দুটিই কাজের মূল্যায়ন। সবচেয়ে বড় তিক্ততা যখন ভালো কোনো উদ্যোগ কিংবা মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে গিয়ে চাপের মুখে পরে করতে না পারা। আর তা শুধু তিক্ততাই নয়, বড় কষ্টেরও বটে। মানুষের জন্য কাজ করা পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো কাজ। কোনো অসহায় মানুষের জন্য কিছু করতে পারা আমার জন্য সবচেয়ে বেশি আনন্দের এবং ভালো লাগার।সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন।

Top