কক্সবাজারের কর্মশালায় বক্তারা; শুটকিতে রাসায়নিক ও কীটনাশক বন্ধের দাবী।

images-3.jpg

দিদারুল আলম (জিসান), কক্সবাজার।

শুটকিতে যাতে পোঁকা না ধরে রং যাতে কালচে না সে জন্য মানবদেহের ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। এতে যকৃত ও কিডনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। নানা ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে। তাছাড়া নারী পুরুষ উভয়ই প্রজনন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে পারেন। গর্ববতী নারী বিষ মুক্ত শুটকি খেলে তার সন্তার শারিরীক ও মানসিক প্রতিবন্ধী অথবা বিকলাঙ্গ হয়ে যেতে পারে।

২রা এপ্রিল ২০১৮ কক্সবাজারে শুটকি মাছ উৎপাদনকারীদের সাথে মাছ সরবরাহকারী শুটকি ব্যবসায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ভোক্তাদের লিংকেজ স্থাপন কর্মশালায় এ কথা উঠে আসে। সভায় বলা হয়, কীটনাশক ছাড়াও শুটকির ওজন বৃদ্ধির জন্য মাছ শুকানোর সময় লবণ ব্যবহার করে শুটকি ব্যবসায়ীরা। শুটকি রোদ্রে দেওয়ার পূর্বে তা বিষ ও লবণ পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়। তাতে ভোক্তারা কঠিন রোগে পড়তে পারে।

শুটকি বিষ মেশানো সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। সে জন্য প্রয়োজনে আইনের আরও কড়াকড়ি নজর রাখা দরকার। কোস্ট ট্রাস্টের ফিস ড্রাইয়ার জৈব পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে বিষ মুক্ত শুটকি মাছ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের দ্বারা ভোক্তাদের আয় বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের এ সভায় শুটকিতে বিষ প্রয়োগের নীতিবাচক দিক আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ডঃ মোহাম্মদ আব্দুল আলিম ও সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সদর উপজেলা ডঃ মঈন উদ্দিন আহমেদ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন কোস্ট ট্রাস্টের উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্পের সমন্বয়ক জিয়াউল করিম চৌধুরী। মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রকল্পের
বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন ভ্যাু চেইন ফ্যাসিলিটেটর তানজিনা খাতুন। উপস্থিত ছিলেন টেকনিক্যাল সুপারভাইজার ব্যবস্থাপক মোঃ বাবুল হোসেন। মনিটরিং অফিসার আবু মোঃ মেজবাহ উদ্দিন কাইছার। এম.এস অফিসার সাইফুল ইসলাম। ভোক্তাদের পক্ষে কামাল উদ্দিন শুটকি পরীক্ষার যন্ত্র কোল্ডষ্টোর সহ ব্যবসায়ীদের সরকারি সহায়তা বাড়ানোর জোর দাবী জানান।

Top