কোঠা সংস্কারে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর কাছে আন্দোলনকারী ছাত্র হানিফের খোলা চিঠি।

images-7.jpg
বরাবর,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী(মমতাময়ী শেখ হাসিনা)
গণপ্রজাতন্থী বাংলাদেশ সরকার।
বিষয়:বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটের কথা চিন্তা করে কোটার একটা যৌক্তিক সংস্কারের জন্য আবেদন।
যথাবিহীত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, মাদার অফ হিউম্যানিটি খ্যাত মমতাময়ী মা আসসালামু আলাইকুম। আজ এমন এক সময় আপনার কাছে লিখছি যখন দেশ আপনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। জানিনা আমার এই লেখা আপনার কাছে পৌছাবে কিনা। তারপরও আপনাকেই লিখছি কেননা আপনিই বুঝবেন এদেশের ২৭ লাখ বেকারের কথা।
মমতাময়ী মা, আপনি ইতিমধ্যে ১২লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে পৃথিবীর বুকে মানবতার যে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তার কোন তুলনা হয় না। মাননীয় প্রধানন্ত্রী, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কিন্তু কিছু অপশক্তি বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন কে ধূলিস্যাৎ করে দেয়ার জন্য হত্যা করে তার পরিবারকে ৤  কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে বেচেঁ যায় বর্তমান প্রধানমন্থী শেখ হাসিনা। যিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে পৃথিবীর বুকে পরিচয়ে করিয়ে দিলেন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে।
দুঃখজনক হলেও চরম সত্য যে দেশ যখন উন্নয়নের মহাসড়কে তখন পিছিয়ে রয়েছে এদের ২৭ লাখ মেধাবী তরুণ। তার একটাই কারণ স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও এদেশে রয়েছে বৈষম্য। বাংলাদেশে যে অদ্ভুত কোটা ব্যবস্থা রয়েছে তা আর কোন দেশে নেই। দেশের মোট জনসংখ্যার ২.৬৩ ভাগ লোকের জন্য সরকারি চাকরিতে কোটা রয়েছে ৫৬ ভাগ আর বাকি ৯৭.৩৭ ভাগ লোকের জন্য রয়েছে ৪৪ ভাগ।
মমতাময়ী মা !! –    আপনিই বলেন  কোটার এই অনুপাত কি আদৌ একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মানায়? মাননীয় প্রধানমন্থী আপনার হাত ধরে দেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যদি সকল ক্ষেত্রে মেধাবীদের সুযোগ দেয়া হয় তাহলে মাননীয় প্রধানমন্থী আপনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর এই সোনার বাংলাকে উন্নত রাষ্ট্রে উন্নীত করে সক্ষম হবে।
মাননীয় প্রধানন্ত্রী , আপনার উপর ১৬ কোটি মানুষের আস্থা রয়েছে,যত দিন আপনার হাতে দেশ পথ হারাবে না বাংলাদেশ।
অতএব, মহোদয় সমীপে আকুল আবেদন, এই ২৭ লাখ মেধাবী বেকারের কথা চিন্তা করে কোটার একটা যৌক্তিক সংস্কার করতে আপনার যেন মর্জি হয়।
নিবেদক :
আবু হানিফ
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী।
(কবি নজরুল সরকারি কলেজ
Top