নিখোঁজের ২৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি; সাপাহারে কাজের মেয়ে হানেফার নিখোঁজের ঘটনা ধাপাচাঁপার চেষ্ঠা

photo-sapahar-23032018.jpg

সারোয়ার হোসেন ,সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর সাপাহারে কাজের মেয়ে হানেফার নিখোঁজের ঘটনা ধাপাচাঁপার চেষ্ঠায় প্রসাশন সহ সরকার দলীয় নেতা কর্মীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন আসঙ্খীত পাঁচার কারী নজিপুর নুরজাহান ফিলিং স্টেশনের মালিক দুইভাই। নিখোঁজের ২৪ দিনেও উদ্ধার হয়নি কাজের মেয়ে হানেফা তাকে খোঁজার চেষ্ঠা বাদ দিয়ে নুরজাহান ফিলিং স্টেশনের মালিক দু!ভাই সেলিম ও জেনু নিজেকে বাঁচানোর জন্য সরকারের উর্দ্ধতন প্রসাশন ও সরকার দলীয় লোকজনের নিকট ধর্ন্না দিচ্ছে বলে জানা গেছে।
‘প্রকাশিত’ উপজেলার গোয়ালা গ্রামের হত দরিদ্র পিতা আঃ বারী ও মাতা নবীজা বেগমের ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়–য়া কন্যা মোসাঃ হানেফা খাতুন (১৬)কে আকর্ষনীয় বেতনে ৩ মাসের জন্য জেলার নজিপুর নুরজাহান ফিলিং স্টেশনের মালিক মৃত মফিজ মিয়ার পুত্র সেলিমের রাজধানী ঢাকা শহরের পল্লবী থানার সেকশন-১২ সি-ব্লোকে ১নং রোডে ১৯নং ভাড়াস্থ বাসায় কাজ করার জন্য একই গ্রামের আব্দুল গনির পুত্র মাসুম ও আজাহার আলীর পুত্র মুশফিকুর গত ২০১৭সালের অক্টোবর মাসের ২৩ তারিখে হানেফার মাতা-পিতাকে সঙ্গে করে নজিপুর নুরজাহান ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যায়। সেখানে ৩মাসে ২০হাজার টাকা চুক্তির করে ৫হাজার টাকা নিয়ে ওই ফিলিং স্টেশনের মালিক সেলিমের নিকট তাদের কন্যা হানেফাকে রেখে বাসায় ফিরে আসে। পর দিন ফিলিং স্টেশন মালিক সেলিম কাজের মেয়ে হিসেবে হানেফা খাতুনকে সঙ্গে করে রাজধানী ঢাকা শহরে তার ভাড়ার বাসায় নিয়ে যায়। চুক্তি মোতাবেক ৩ মাস কাজ শেষে হানেফা নিজ বাসায় ফিরতে চাইলে চতুর সেলিম আরো ২মাসের কথা বলে তার পিতা-মাতার নিকট থেকে সময় নেয়। এরই মধ্যে গত ২৮ফেব্রুয়ারী হানেফা বাসায় ফিরতে চেয়ে তার পিতা-মাতাকে ফোনে জানালে তার পিতা-মাতা মেয়েকে ফেরত আনতে মালিক সেলিমের সাথে কথা বলে। ৫মার্চ তারিখে তারা মেয়েকে আনতে ঢাকায় যাবে এ বিষয়ে সেলিমের সাথে কথা বলতে গেলে সেলিম রাগান্বিত হয়ে তার মেয়ে কোথায় সে জানেনা বলে ফোন কেটে দেয়। এসময় হানেফার অসহায় পিতা-মাতা বিচলিত হয়ে মেয়ের খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে তার মেয়ে এখন আর তাদের বাসায় নেই। সঙ্গে সঙ্গে হানেফার মা, নবীজা বেগম রাজধানী ঢাকায় গিয়ে সেলিমের বাসায় মেয়ের খোঁজখবর নিতে গেলে তারা তাকে বাসায় ঢুকতে না দিয়ে নানা ধরনের গালিগালাজ করে ফিরে দেয়। নিরুপায় হয়ে নবীজা বেগম ঢাকা ডিএমপির পল্লবী থানায় মেয়ে নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়রী দায়ের করেন যার জিডি নং-৩৪২ তারিখ ০৫/৩/২০১৮ইং। এর পর ঢাকায় খোঁজ নিয়ে নবীজা বেগম মাসুম ও মুশফিকুর সাথে কথা বলে প্রশাসন সহ সমাজের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে মেয়েকে ফিরে পেতে সাপাহার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

এ বিষয়ে বাসা মালিক ও নুরজাহান ফিলিং স্টেশনের মালিক সেলিম তার বাসা হতে কাজের মেয়ে হানেফা হারিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে তিনি পল্লবী থানায় সাধারণ ডায়রী ও পত্র পত্রিকায় নিখোঁজ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। বর্তমানে মেয়ে সন্তানকে হারিয়ে অসহায় পিতা আঃ বারী ও মাতা নবীজা বেগম দারুন হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েছে এবং মেয়েকে ফেরত পেতে প্রসাশন সহ সকলস্তরের জনগনের সহযোগীতা কামনা করেছে।

Top